জুড়ীর ফুলতলায় বিভিন্ন চা বাগানে দেড় শতাধিক বিধবা নারীকে শাড়ি উপহার দিলেন মাছুম দেলোয়ার


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১৬, ২০২৬, ৬:৩৪ পূর্বাহ্ণ / ৪৬
জুড়ীর ফুলতলায় বিভিন্ন চা বাগানে দেড় শতাধিক বিধবা নারীকে শাড়ি উপহার দিলেন মাছুম দেলোয়ার

জুড়ী (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:

উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক—কেউ যেন আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হন। এমন মানবিক ভাবনা থেকেই শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলার ইউনিয়নের বিভিন্ন চা বাগানের দেড় শতাধিক বিধবা নারীর হাতে শাড়ি উপহার তুলে দিয়েছেন মাছুম দেলোয়ার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা মাছুম দেলোয়ার।

সম্প্রতি দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত এ উপহার বিতরণ কার্যক্রমে শাড়ি পেয়ে আনন্দে ভরে ওঠে চা বাগানের অসহায় নারীদের মুখ। অনেকের কাছেই এই উপহার ছিল কেবল একটি শাড়ি নয়, বরং দীর্ঘদিনের বঞ্চনার মাঝে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার এক অনন্য উপলক্ষ।

জীবনের নানা দুঃখ-কষ্ট আর অভাব-অনটনের সঙ্গে লড়াই করে দিন কাটানো এসব নারীর কাছে দুর্গাপূজার নতুন শাড়ি যেন এক টুকরো আনন্দের বার্তা নিয়ে এসেছে। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তারা জানান, জীবনের শেষ বয়সে দুর্গাপূজা উপলক্ষে এই প্রথম কেউ তাদের হাতে শাড়ি তুলে দিয়েছেন। পূজায় নতুন শাড়ি পরে আনন্দ করবেন—এমনটা তারা কল্পনাও করেননি। এমন উপহার পেয়ে তারা ভীষণ খুশি।

এ সময় মাছুম দেলোয়ারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নারীরা তার জন্য আশীর্বাদ করেন। তিনি যেন জীবনে আরও এগিয়ে যান এবং ভবিষ্যতেও এভাবেই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।

মাছুম দেলোয়ার জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মাছুম দেলোয়ার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। শুধু দুর্গাপূজা নয়, ঈদসহ হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের বিভিন্ন উৎসবেও উপহারসামগ্রী ও ত্রাণ বিতরণের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। সমাজের অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই তাদের মূল লক্ষ্য।

মাছুম দেলোয়ার ফুলতলা ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আসছেন।

ফুলতলার বিভিন্ন চা বাগানের বিধবা নারীদের হাতে শাড়ি তুলে দেওয়ার এই উদ্যোগ শুধু উপহার বিতরণ নয়, বরং মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
মাছুম দেলোয়ার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের এ উদ্যোগকে মানবিক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।