
জুড়ী প্রতিনিধি :
মৌলভীবাজার বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নতুন বছরের প্রথম দিনে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় ৮২১ জন কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার জুড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী ফুলতলা ইউনিয়নে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যিনি ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন। দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে একযোগে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর জুড়ীর ফুলতলা বশির উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কৃষকদের হাতে কার্ড তুলে দেন প্রধান অতিথি শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক, এমপি। জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু, মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার খান মোহাম্মদ রেজা-উন-নবী, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মুশফেকুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার বিল্লাহ হোসেন, ৫২ বিজিবি বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান সুজন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক লুবনা রহমান, জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুশফিকীন নুর, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবরিনা আক্তার, থানার ওসি মিনহাজ উদ্দিন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম খান, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম, জুড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাসুম রেজা, সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান চুনু, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম, ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম সেলু, পশ্চিমজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, সাগরনাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) শরফ উদ্দিন সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জুড়ীতে ৮২১ জন কৃষককে কৃষক কার্ড উপহার দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু, এমপি। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক জালাল উদ্দিন। বক্তারা বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণ, স্বল্প সুদে কৃষি ঋণ সুবিধা, অনলাইনের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ এবং প্রতি বছর ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান।
আপনার মতামত লিখুন :