
নিজস্ব প্রতিবেদক :
যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির সুপরিচিত সমাজসেবক ও ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের চেয়ারম্যান খসরুজ্জামান খসরুকে যুক্তরাজ্য বিএনপির আগামী কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চায় নেতাকর্মীরা।
দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে এবং প্রবাসে দলের আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ইতোমধ্যে প্রবাসী নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
খসরুজ্জামান খসরু দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিএনপির আন্দোলন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। প্রবাসে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে খসরুজ্জামান খসরু একজন সাহসী যোদ্ধা হিসেবে পরিচিত। শেখ হাসিনার সরকারের স্বৈরাচারী দমন-নীতির বিরুদ্ধে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আন্দোলনে তিনি অন্যতম সাহসী মুখ হিসেবে পরিচিত। শেখ হাসিনার সরকারের দমননীতি ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি নিয়মিতভাবে অংশ নিয়েছেন। লন্ডনসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরকালে বিএনপি ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে তার হাসিনা বিরোধী শ্লোগানে উজ্জীবিত হত নেতাকর্মীরা তার নেতৃত্ব ছিল সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো।
রাজনীতির পাশাপাশি খসরুজ্জামান খসরু সমাজসেবা ও মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্যও প্রশংসিত। পৃথিবী বিখ্যাত লন্ডনের অক্সফোর্ড গ্র্যাজুয়েট মেয়ে নাবিলা জামানকে সাথে নিয়ে তিনি ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের মাধ্যমে বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যে ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ত্রাণ সহায়তামূলক নানা উদ্যোগে তার ভূমিকা ইতোমধ্যে প্রবাসী সমাজে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে, যার স্বীকৃতি স্বরূপ ব্রিটেনের রাজার কাছ থেকে পাঁচটি প্রশংসা পত্র চিঠি পেয়েছেন।
বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, খসরুজ্জামান খসরু এমন একজন নেতা যিনি রাজনীতির পাশাপাশি প্রবাসীদের সামাজিক কল্যাণ নিয়েও নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। তার মতো অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ একজন নেতাকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পেলে যুক্তরাজ্য বিএনপি আরও শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ হবে বলে মনে করছেন দলের তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী।
খসরুজ্জামান খসরুর ঘনিষ্ঠ এক নেতা জানান, খহরু রাজনীতিকে ক্ষমতার জন্য নয়, আদর্শ ও মানুষের কল্যাণের জন্য করে থাকেন। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি মানুষের সেবা করার একটি মহৎ মাধ্যম। প্রবাসে থেকেও তিনি দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের সক্রিয় অংশীদার। যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পেলে দলটি আরো সুসংগঠিত ও দলের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।
বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মনে করেন, খসরুজ্জামান খসরু এমন একজন নেতা যিনি রাজনীতি ও সমাজসেবা এই দুই ক্ষেত্রেই সফলভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাদের দাবি, তার মতো একজন সৎ, যোগ্য ও অভিজ্ঞ মানুষকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পেলে যুক্তরাজ্য বিএনপি আরও ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
প্রবাসে বিএনপির রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সংগঠন পরিচালনায় দক্ষতা এবং মানবিক মনোভাব—সব মিলিয়ে খসরুজ্জামান খসরু এখন যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতৃত্বে নতুন প্রত্যাশার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। তার প্রার্থিতা ইতোমধ্যেই প্রবাসী রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
আপনার মতামত লিখুন :